Showing posts with label Hare Krishna. Show all posts
Showing posts with label Hare Krishna. Show all posts

Sunday, October 12, 2025

কার্তিক মাস মাহাত্ম্য — মহাভারত, রামায়ণ, স্কন্দপুরাণ, পদ্মপুরাণ, দামোদর ব্রত ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভক্তিমূলক উপদেশ

🌺 দামোদর (কার্তিক) মাসের মহিমা 🌺

শ্রেষ্ঠ মাস কেন?

স্কন্দপুরাণ, পদ্মপুরাণ ও হরিভক্তিবিলাসে বর্ণিত ভগবান বিষ্ণু-এর প্রিয়তম মাস


বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে কার্তিক মাস-এর মহিমা বর্ণনা করা হয়েছে। স্কন্দপুরাণ, পদ্মপুরাণ এবং শ্রীহরিভক্তিবিলাস-এর মতো শাস্ত্রে এই মাসকে সকল মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থান দেওয়া হয়েছে। পদ্মপুরাণে, কার্তিক মাসকে "দামোদর মাস" হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ এই মাসে ভগবান বিষ্ণু তাঁর দামোদর রূপে পূজিত হন। প্রথমেই পদ্মপুরাণে বর্ণিত একটি কথা দেখা যাক যেটি এই মাসের মাহাত্মকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।


কার্তিক মাসের অলৌকিক দীপকথা: একটি ইঁদুরের অজান্ত আরাধনা  

কার্তিক মাস ভগবান বিষ্ণু-র প্রিয়তম মাস। এই মাসে প্রদীপ জ্বালানো কেবল পূজার অংশ নয়, এটি ভক্তির প্রতীক। প্রদীপের আলো মানে আত্মার আলোক, যা অন্ধকার দূর করে হৃদয়কে ঈশ্বর-এর পথে নিয়ে যায়।

প্রাচীন কালে এক ছোট্ট নগরে ভগবান বিষ্ণু-র একটি মন্দির ছিল। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলায় ভক্তরা সেখানে এসে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালাতেন। মন্দির তখন আলো ও সুবাসে ভরে উঠত। তিলের তেল বা বিশুদ্ধ ঘি দিয়ে সেই প্রদীপ জ্বালানো হতো, যার গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত দূর পর্যন্ত।

Wednesday, October 8, 2025

কার্তিক মাস মাহাত্ম্য — মহাভারত, রামায়ণ, স্কন্দপুরাণ, পদ্মপুরাণ, দামোদর ব্রত ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভক্তিমূলক উপদেশ

🪔 দামোদর লীলা ও দীপ দানের অক্ষয় মাহাত্ম্য 🪔


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে কার্তিক মাস কেবল বছরের একটি মাস নয়, এটি হলো পুণ্য, ভক্তি এবং ভগবানের লীলাস্মরণের এক পবিত্রতম সময়কাল। এই মাসটি দামোদর মাস নামেও পরিচিত, যা স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাৎসল্য রসে পরিপূর্ণ এক লীলার সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। এই পবিত্র মাসে দীপদান করাকে ধর্মীয় ঐতিহ্যে এক বিশেষ মঙ্গলজনক ও মোক্ষদায়ী কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়।




কার্তিক মাস কেন শ্রেষ্ঠ ?

শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় মাস: কার্তিক মাসটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এই মাসে ভক্ত তাঁর প্রীতি লাভের জন্য সামান্য কিছু সেবা করলেও ভগবান তাতে সহস্রগুণ সন্তুষ্ট হন।

নিয়ম সেবার কাল: এই মাসকে 'নিয়ম সেবার কাল'ও বলা হয়। ভক্তরা কঠোর ব্রত, সংযম ও বিশেষ পূজার মাধ্যমে নিজেদের আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধন করেন।

সম্পূর্ণ দামোদর স্তোত্রটি পাঠ করুন এখানে ক্লিক করে

Sunday, September 21, 2025

শ্রী শ্রী ব্রহ্মসংহিতা - সম্পূর্ণ পাঠ



শ্রী শ্রী ব্রহ্মসংহিতা - সম্পূর্ণ পাঠ

ভূমিকা ও প্রেক্ষাপট পড়ুন

আমাদের পূর্ববর্তী পোস্টে আমরা ব্রহ্মসংহিতার মহিমা ও এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এই পোস্টে আমরা সেই অমূল্য রত্নের সম্পূর্ণ পাঠ তুলে ধরছি, যাতে ভক্তরা মূল স্তোত্রটি সরাসরি পাঠ করতে পারেন।


শ্লোক ৫.১

ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ।
অনাদিরাদির্গোবিন্দঃ সর্বকারণকারণম্।।

শ্লোক ৫.২

সহস্রপত্র-কমলং গােকুলাখ্যং মহৎপদম্।
তৎ কর্ণিকার-তদ্ধাম তদনন্তাংশ-সম্ভবম ॥

শ্লোক ৫.৩

কর্ণিকারং মহদযন্ত্রং ষট্কোণং বজ্রকীলকম।
ষড়ঙ্গ-ষটপদী-স্থানং প্রকৃত্যা পুরুষেণ চ ॥
প্রেমানন্দমহানন্দ-রসেনাবস্থিতং হি যৎ।
জ্যোতীরূপেণ মনুনা কামবীজেন সঙ্গতম্॥

শ্লোক ৫.৪

তৎকিঞ্জল্কং তদংশানাং তৎপত্রাণি শ্রিয়ামপি ॥

Thursday, September 18, 2025

গজেন্দ্র ও কুমিরের কাহিনী

 

সাংসারিক দুঃখ কষ্টের কবল থেকে মুক্তি পেতে আর্থিক ঋণের জাল থেকে মুক্ত হতে রোজ শ্রবন করুন শ্রী গজেন্দ্র মোক্ষম স্তোত্র 

হরে কৃষ্ণ রাধে রাধে

বন্ধুরা, যে ব্যক্তি একাগ্র চিত্তে সর্বক্ষণ ভগবানকেই চিন্তা করেন শ্রীমদ্ভগবত গীতায় ভগবান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তিনি সেই ব্যক্তির এই যোগকে ( বলা যায় সমস্ত যোগের মধ্যে এটি সবথেকে উৎকৃষ্ট যোগ কারণ এটি ভক্তি যোগের চরম পর্যায় যেখানে ভক্ত নিজেকে কোন অবস্থাতেই ভগবান থেকে পৃথক ভাবে দেখতে চান না ) সংরক্ষণ করেন এবং যথাসময়ে তাকে পুনরায় এই যোগ মনে করিয়ে দিয়ে তাকে এই যোগের অপ্রাপ্য ফল, অর্থাৎ মোক্ষ প্রদান করেন। (অধ্যায়:৯ শ্লোক : ২২)


বন্ধুরা শ্রীমদ্ভাগবতম মহাপুরানের অষ্টম স্কন্দের  তিন নম্বর অধ্যায়ের শ্রী গজেন্দ্র মোক্ষ স্তুতি পর্ব তার অকাট্য প্রমাণ। 





Tuesday, September 7, 2021

কৃষ্ণ নাম বিনা এই মনুষ্য জন্ম বৃথা

 


হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম
কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতির্অন্যথা।

অর্থ: কলি কালে কেবল হরির নাম হরির নাম একমাত্র হরির নাম ব্যতীত অন্য কোন গতি আর নেই নেই নেই।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

একমাত্র কৃষ্ণই এই জড় জগতের সকল কষ্ট থেকে উদ্ধার করতে পারে

আপনাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ জেল এতটাই দ্বীপান্তরে যে ভেঙে পালাবার পথ নেই কারণ সবচেয়ে কাছের দ্বীপটি  কয়েক আলোকবর্ষ দুরে। কি করে মুক্তি পাবেন এই জেল থেকে? জেলের যে জেলর সে সারাক্ষণ নতুন কয়েদিদের নিয়ে, তাদের কে কোন সেলে থাকবে কতদিন থাকবে এ নিয়ে ব্যস্ত। তাছাড়া তাকে সারাক্ষণ বিধির আদালতের সাথে লিঁয়াজো রাখতে হয়। সবাই এখানে তাঁকে বাবা বলে ডাকে। নিজের কাজে আর নিজেতেই তিনি মগ্ন সারাক্ষণ।

অঘাসুর লীলা : ছদ্মবেশী বিপদ ও ভক্তির অভয়তা | মাধবম অঘাসুর লীলা : দ্বিতীয় পর্ব ছদ্মবেশী বিপ...