ব্রজলীলার অঘাসুর পর্বকে সাধারণভাবে একটি অসুরবধের কাহিনি হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের দৃষ্টিতে এই লীলা কেবল বধের গল্প নয়— এটি এক গভীর ভক্তিতাত্ত্বিক উপাখ্যান, যেখানে একসঙ্গে প্রকাশ পায় জীবনের বাস্তবতা এবং ভগবানের অহৈতুকী কৃপা।
অঘাসুর এখানে হঠাৎ আক্রমণকারী কোনো অসুর নয়। সে আসে গুহার রূপ ধরে—আনন্দ ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে। এই ছদ্মবেশী রূপই লীলাটিকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করে দেয়।
একই সঙ্গে আমরা দেখি—এই অঘাসুরই শেষ পর্যন্ত লাভ করে অতি দুর্লভ মুক্তি, যে মুক্তির জন্য যুগ যুগ ধরে যোগী ও ভক্তেরা সাধনা করে। এই দ্বৈত বাস্তবতা—ভয়ংকর বিপদ ও পরম কৃপা— এই লীলাকে অনন্য করে তোলে।



